‘রক্তঝরা জুলাই মানে নতুন বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে ধারণ করে দিনব্যাপী লেখক সম্মেলনের আয়োজন করে পরিচয় সংস্কৃতি সংসদ। জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূতি উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এই আনন্দঘন অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সের প্রফেসর ড. সালেহ্ হাসান নকিব। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাবি প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন, রাবি কলা অনুষদের সাবেক ডীন প্রফেসর ড. মো. ফজলুল হক প্রমুখ।
‘জুলাই বিপ্লবোত্তর নতুন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্দোবস্ত’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এর সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ইমেরিটাস ড. এ কে এম আজহারুল ইসলাম। মুখ্য আলোচক ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক ড. নাজিব ওয়াদুদ। বক্তব্য রাখেন রাবি সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মো. নিজাম উদ্দিন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন,রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ যহুর আলী। পরিচয় সংস্কৃতি সংসদের সভাপতি প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে কী নোট উপস্থাপন করেন ড. ফজলুল হক তুহিন।
‘বক্তাগণ বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি বিপ্লবে শেকড়ের সংস্কৃতির কথা উচ্চারিত হয়। তাইতো চব্বিশের জুলাই বিপ্লবে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের বোধবিশ্বাসই মূলত আমাদের সংস্কৃতির মঞ্জিল। বাইরের আরোপিত সংস্কৃতি কখনো আমাদের হতে পারে না।’
পরিচয়ের সাধারণ সম্পাদক ড. সায়ীদ ওয়াকিলের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে পরিচয়ের মুখপত্র ‘সিঁড়ি পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে দুই শতাধিক কবি অংশগ্রহণ করেন। কবিদের কণ্ঠে তিনটি অধিবেশনে পঠিত হয় লাল জুলাইয়ের কবিতা। বিভিন্ন অধিবেশনে সভাপতি ছিলেন কবি মনজু রহমান, কবি , সায়ীদ আবুবকর,কবি কামরুজ্জামান । অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজচিন্তক ও গবেষক প্রফেসর ড. মোহা. আবদুর রহমান, বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়ামের পরিচালক কবি ও প্রত্নতত্ত্ববিদ প্রফেসর ড. কাজী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কবি ও গবেষক প্রফেসর ড. সৈয়দা নূরে কাছেদা খাতুন, কবি ও সাংবাদিক সরদার আবদুর রহমান, কবি এরফান আলী এনাফ, কবি মোস্তাক রহমান, গল্পকার ড. আবু নোমান, গল্পকার মাতিউর রাহমান, ছায়া সম্পাদক কবি সোহেল মাহবুব, গল্পকার মনির বেলাল, সাংবাদক ও লেখক মুহাম্মদ জুলফিকার, কবি আলমগীর কবির হৃদয়, কবি প্রতীক ওমর, প্রফেসর ড. শাহ্ হোসাইন আহমদ মেহদী, প্রফেসর ড. সামিউল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে দুই শতাধিক কবি-সাহিত্যিক অংশগ্রহণ করে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন।